বুধবার
১২ আগস্ট ২০২৬
২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রাইট নিউজ
সর্বশেষ নোটিশ
বিশ্বকাপ টিকিটের দাম নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন ইনফান্তিনো ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ২১, আহত ৭০ রানা প্লাজা হত্যা মামলার বিচারে ১৩ বছর বিলম্ব, দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ প্রসিকিউশনের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা হাঁড়িভাঙ্গা আমের ২৫০ কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্যের আশা মে মাসের প্রথম চার দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৪৬.৩ শতাংশ ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল শিল্পকারখানা চালু থাকলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় : বাণিজ্যমন্ত্রী শুধু জিপিএ-৫ নয়, শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
বিএনপিকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি : সিইসি
প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

সংলাপ নয়, বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর সঙ্গে সরকারের কোনও সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সিইসি।

তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম অনেকে লিখেছেন, বিএনপিকে চিঠি দেওয়া সরকারের কূটকৌশল। তবে আমি বলছি, বিএনপিকে চিঠি দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনও কূটকৌশল নেই। বরং এটা ইসির কূটকৌশল হতে পারে।

সরকার ইসির ওপর চাপ দিলে যে ডেবে যাবে বিষয়টা ওরকম না। এখানে সরকারের কোনও রকম সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকারের আজ্ঞাবহ কোনো কাজ নির্বাচন কমিশন করে না বলেও জানান কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিএনপির মতো একটি দলকে নির্বাচনে আনতে পারলে ভালো হয়, সেজন্যই ডেকেছি অনানুষ্ঠানিকভাবে ডেকেছি। কোনো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর চাপে বিএনপিকে ডাকা হয়নি। সব নির্বাচন কমিশনার বসেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধা ভোট বন্ধের ইস্যুতে ১৩৪ জনের মধ্যে ৪০ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবারও পদক্ষেপ নিবে ইসি।

গত ২৩ মার্চ বিএনপি ও সমমনা দলগুলোকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল।

ওই চিঠিতে সিইসি লেখেন, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন করে আসছি। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচনের কথা অনুধাবন করে আসছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমান কমিশনের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আপনারা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যদিও আপনাদের এমন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কৌশলের বিষয়ে কমিশনের কোনো মন্তব্য নেই। আপনাদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হলেও কমিশন মনে করে বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক না হোক, অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা বা মতবিনিময় হতে পারে।

আপনাদের ইসিতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সদয় সম্মত হলে আলোচনা করে দিনক্ষণ নির্ধারণ করা যেতে পারে। প্রত্যুত্তর প্রত্যাশা করছি। সিইসি এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর পাঠায়নি বিএনপি।

facebook page